
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চল পরিচালক মাওলানা এটিএম মাসুম বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের দাবি, বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা এবং সরকারের দলীয়করণ ও দুর্নীতি বন্ধের দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলের লং মার্চ সফল করতে হবে। এ কর্মসূচি ঘিরে কুমিল্লায় গণজোয়ার সৃষ্টি হবে ইনশাআল্লাহ।রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টায় কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের দায়িত্বশীলদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এটিএম মাসুম এসব কথা বলেন।
এটিএম মাসুম বলেন, দেশের জনগণ আজ তাদের ন্যায্য অধিকার ও প্রত্যাশা পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতের যথাযথ প্রতিফলন ঘটাতে হবে। জনগণের মতামতকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। জনগণের কষ্টকে উপেক্ষা করে কোনো সরকারই দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণ ও দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাবমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।এটিএম মাসুম বলেন, ৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চকে সফল করতে দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। এটি জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের একটি শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি। কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের প্রতিটি জেলা ও মহানগরীতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।তিনি বলেন, কুমিল্লার মানুষ সবসময় অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছে। ৫ সেপ্টেম্বরের লং মার্চেও কুমিল্লার রাজপথ জনতার উপস্থিতিতে মুখরিত হবে। কুমিল্লায় গণজোয়ার সৃষ্টি হবে—ইনশাআল্লাহ।বৈঠক পরিচালনা করেন কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক ও কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ। এতে কুমিল্লা অঞ্চলের টিম সদস্য আব্দুস সাত্তার, অধ্যাপক লিয়াকত আলী, নজরুল ইসলাম খাদেমসহ কুমিল্লা মহানগরী, কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ, কুমিল্লা জেলা উত্তর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আমীর ও সেক্রেটারিগণ উপস্থিত ছিলেন।