
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লা মুরাদনগর থানার বাসিন্দা ও পেশায় অটোরিকশা চালক মাহাবুব আলম ওরফে মাসুম (৩২) গত ১৯/০৬/২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সর্বশেষ রাত ১০টায় স্ত্রীর সাথে ফোনে কোম্পানিগঞ্জ যাওয়ার কথা জানালেও পরবর্তীতে তার আর কোনো খোঁজ মেলেনি। পরিবারের পক্ষ থেকে গত ২০/০৬/২০২৬ তারিখ সকালে মুরাদনগর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে গত ২০/০৬/২০২৬ ইং তারিখ সকাল ১০টায় বাঙ্গরা বাজার থানার টনকী ইউনিয়নের বৈলাবাড়ী গ্রামস্থ পূর্ব পাড়া ধরেরপাড় এলাকায় ভিকটিমের চোখ, মাথা গুরুতরভাবে থেঁতলানো ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্র দ্বারা রক্তাক্ত আঘাত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমের পরিবার মরদেহ শনাক্ত করার পর বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। নৃশংস, ন্যাক্কারজনক ও চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডটি কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য

Oplus_131072
পুলিশ সুপার মহোদয়ের দৃষ্টিগোচর হলে, তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশনায় বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তদন্তে নামেন এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ জানতে পারে, কোম্পানিগঞ্জ এলাকায় দুজন ব্যক্তি একটি সন্দেহভাজন অটোরিকশা বিক্রির চেষ্টা করছে। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় অত্র স্থানে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে মোঃ নাঈম ইসলাম (২৩) (পিতা- মোঃ বিল্লাল হোসেন, সাং- দক্ষিণ টিলী, দাউদকান্দি) নামের একজনকে আটক করে এবং তাকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নাঈম স্বীকার করে যে, সে এবং তার এক সহযোগী মিলে মাসুমকে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনতাই করেছে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপর আসামি আরমান সরকার (২০) (পিতা- লিটন সরকার, সাং- হিরাপুর/গকুলনগর, বাঙ্গরা বাজার)-কে গ্রেফতার করা হয়। এমন ক্লুলেস মামলা রুজুর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত মুল আসামিদের গ্রেফতারের ফলে জেলা পুলিশের প্রতি সাধারণ জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে। পুলিশের এই সফল অভিযানের ফলে অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।