1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
দেহ ব্যবসা ও মাদক বাণিজ্যের সম্রাট হোটেল না অপরাধের ঘাঁটি? কুমিল্লায় ‘শান্ত’ বিতর্ক নতুন মোড়ে - কুমিল্লার খবর
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার দেবিদ্বারে হঠাৎ রোগীসেবার মান যাচাইয়ে হাসপাতালে হাসনাত, শোকজ ৫ চিকিৎসক কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে র‍্যাব-১১ এর অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের মাঝে জার্সি বিতরণ কুমিল্লায় ক্যাবল ও ইন্টারনেট তারের জঞ্জাল নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের নোটিশ! বুড়িচংয়ে মাছ ও মুরগির খামারের খাদ্যগুদামে আগুন, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ টাকা সরকারের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেওয়া হবে: অ্যাডভোকেট তারিকুল *মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের পঠন* দক্ষতা* কুমিল্লায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন, ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত কর্মকর্তারা কুমিল্লায় ছয় ঘণ্টায় তিন শিশুর প্রাণ কেড়ে নিল পানি! কুমিল্লায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে-বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

দেহ ব্যবসা ও মাদক বাণিজ্যের সম্রাট হোটেল না অপরাধের ঘাঁটি? কুমিল্লায় ‘শান্ত’ বিতর্ক নতুন মোড়ে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

দেহ ব্যবসা ও মাদক বাণিজ্যের সম্রাট হোটেল না অপরাধের ঘাঁটি? কুমিল্লায় ‘শান্ত’ বিতর্ক নতুন মোড়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লা নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার জাগুরঝুলি বিশ্বরোড থেকে বিরতি বিশ্বরোড হয়ে আলেখারচর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেলকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা ও মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এসব কার্যক্রমের সাথে জড়িত হিসেবে আলোচিত একটি নাম—দেবিদ্বার এলাকার বাসিন্দা শান্ত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাগুরঝুলি বিশ্বরোডে অবস্থিত সাততলা “নিউ রাজধানী আবাসিক হোটেল”, জান্নাত পাম্প সংলগ্ন “নীল পদ্মা আবাসিক হোটেল” এবং বিরতি বিশ্বরোডের “বৈশাখী আবাসিক হোটেল”—এই তিনটি হোটেল দীর্ঘ প্রায় ৬-৭ বছর ধরে শান্তর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব হোটেলের আড়ালে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা এবং গোপনে মাদক বাণিজ্য পরিচালিত হচ্ছে। আরও জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ভবনগুলোর মালিকদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের চুক্তিতে হোটেলগুলো ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করছেন শান্ত। প্রতিটি হোটেল থেকে নিয়মিত অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যকে ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা। একাধিক সূত্র দাবি করেছে, কেউ এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে হোটেল মালিক কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের হুমকি দিয়ে থাকেন। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে এবং কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কয়েক বছর আগেও সাধারণ হোটেল বয়ের কাজ করা শান্ত বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় তার একাধিক বাড়ি, জমি ও সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। যার মধ্যে রয়েছে দেবিদ্বারে ডুপ্লেক্স বাড়ি, কোটবাড়ি এলাকায় সম্পত্তি, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় বহুতল ভবনসহ আরও বেশ কিছু স্থাবর সম্পদ। বিশেষজ্ঞদের মতামত একজন সিনিয়র আইনজীবী বলেন:
“এ ধরনের অপরাধ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি শুধু নৈতিক অপরাধ নয়—মানব পাচার, মাদক এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের আওতায় পড়ে। দ্রুত তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।”
একজন সিনিয়র সাংবাদিকের ভাষ্য:
“স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হলে পুরো ব্যবস্থার ওপর আস্থা নষ্ট হয়। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন সময়ের দাবি।”মানবাধিকার কর্মীর মন্তব্য: “দেহ ব্যবসা ও মাদক কার্যক্রমের সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় জড়িত। নারীদের জোরপূর্বক এসব কাজে ব্যবহার করা হলে তা গুরুতর অপরাধ।” সমাজ বিশ্লেষকরা বলছেন:
“এ ধরনের অপরাধ সমাজে নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়।”দাবি: স্বাধীন তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী, সচেতন মহল ও সাংবাদিক সমাজের দাবি—বিষয়টি নিয়ে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক অভিযুক্তদের সম্পদের উৎস যাচাই করা হোক সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক গাফিলতি থাকলে তারও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হোক এই প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হলো। অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর