
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ৪ বার ঢাকা সিটির মীরপুরের নির্বাচিত কমিশনার মেহেরুন্নেসা হক মহিলা এমপি হওয়ার দৌড়ে বেশ এগিয়ে রয়েছেন।
তিনি দীর্ঘদিন মাঠ রাজনীতি করছেন নিরলসভাবে। মেহেরুন্নেসার ওপর প্রবল নির্যাতন নীপিডিন হয়েছে। ৭২ বছর বয়সে জেল খেটেছেন ৩ বার । কাশিমপুর কারাগারের জেলে ৪ মাস বন্দি থাকা এই মহিয়সী নারী অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে আসছেন। তার গোটা পরিবার হয়েছিলো নির্যাতিত। মিরপুরের বাসভবনটি ছিলো সারাক্ষন পুলিশ দ্বারা তল্লাশির নামে ছাত্রলীগ গুনডাদের মহড়া দেয়ার বিভিষিকাময় অতীত। তার বড় সন্তান দেশের ব্যতিক্রমী ও ভিন্ন ধারার রাজনীতির জনক। তা হচ্ছে সমাজ কর্ম ভিওিক রাজনীতি – গবেষণাই যার পেশা ও নেশা। সেই নয়ন বাংগালী ফ্যসিসট আমলের ক্রস ফায়ারের তালিকা ভুক্ত আসামি। বারবার গ্রেফতার এমনকি তাকে মেরে পংগু করে ফেলেছে। মাথায় আঘাত করে এই স্বপ্নবাজ সাহসী নেতাকে স্তব্দ করে দিয়েছে – আজও সেই ভয় ও শারিরীক জুলুমের স্বীকার হওয়া মানুষটি নির্বাসিত। একসময় নয়ন বাংগালী ছিলো যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য সম্পাদক – এমনকি একটি বৃহৎ জেলা বিএনপিরও বিশাল দায়িত্ব সম্পাদক মন্ডলীর গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক- উপজেলা বিএনপির সভাপতি তাও ১৫ বছর আগে। যার এতো সম্ভাবনা এতো ত্যাগ তবুও দলের কাছে কিছু চান না। এই পরিবারটি শুধু চায় জুলুম আওয়ামীলীগারদের বিচার , এই পরিবার টি শুধু চায় জিয়া পরিবারের টিকে থাকা। ছোটো ভাই নাদিম বাংগালীও বড় ভাইয়ের থেকে রাজনীতি শিখে – তার পথ অনুসরন করে অনেক কেন্দ্রীয় পদে ছিলেন – আইনজীবী হয়ে ভালো জীবন যাপন করছিলেন। কিন্তু নয়ন বাংগালীকে যৌথ বাহিনী, RAB ধরতে আসে। তখন নয়ন বাংগালীকে না পেয়ে নাদিম বাংগালি নিয়ে নির্যাতন চালায়। ছোটো ভাই হিসেবে সে তার বড় ভাই এর জন্য গর্ব বোধ করলেও নির্যাতন নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। মিরপুর পল্লবীর মা হয়ে উঠে বেগম মেহেরুন নেছা এখন একা। নিজ সন্তানরা পাশে না থাকলেও মিরপুরে হাজারো সন্তান তাকে মা বলে পাশে থাকে। মিরপুর হয়ে উঠে ভোটের ব্যাংক। এই সেই বেগম মেহেরুন নেছা হক জনগন যাকে বিশ্বাস করে – আস্থার জায়গায় রেখেছেন। তিনি ৪ বার ঢাকা সিটির কমিশনার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রায় ২৫ বছর জনগনের খেদমত করেন। এই সেই মেহেরুনেসা হক, যার হাতে গড়া এই মিরপুর পল্লবীতে দল তাকে এমপি মনোনয়ন না দিলেও হাসি মুখে আমিনুল হকের জন্য মাঠে সক্রিয় থাকেন। জনগন চায় তিনি যেনো সংরক্ষিত মহিলা এমপি হয়ে আবারও খেদমত করতে পারেন। এক ঘরে এতো নির্যাতন ও এতো নেতার ভীড় যারা দল থেকে কিছু নেয় না বরংচ দেয়। নয়ন বাংগালি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে আমার মা যদি পায় তাহলে আমাদের আর কারো কিছু চাওয়ার নেই। দল নিশ্চিত যে মাঠে থাকা মানুষদের মূল্যায়ন করবে। দল অতীতের রেকর্ড দেখবে এবং যাদের সাথে সত্যিকারের জনগনের সম্পর্ক আছে তাদের প্রাধান্য দিবে। শুধু কেন্দ্রীয় বড় নেত্রী হলেই হবে না – যিনি জনগনের খেদমত করেছেন, সেই রেকর্ড বিচার করা হবে এবার।