
চান্দিনা প্রতিনিধি,কুমিল্লা।।
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাতাঘাসী ইউনিয়নে ঈদ উপলক্ষে দরিদ্র ও দুঃস্থ নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছানো চালের বস্তা খুলে দেখা যায়, চালগুলো পঁচে গেছে এবং পোকায় জর্জরিত। গত সপ্তাহে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে বাতাঘাসী ইউনিয়নের ১শ জন কার্ডধারীর জন্য ৩ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এড. সাদেকুর রহমান সেই চাল বিতরণ করেন। কিন্তু অন্তত ১৬ জন সুবিধাভোগী বাড়িতে গিয়ে চাল খুলে দেখেন, পুরো চাল পঁচা ও পোকার আক্রমণে অখাদ্য হয়ে গেছে। তারা সঙ্গে সঙ্গে ইউনিয়ন অফিসে চাল ফেরত নিয়ে আসেন। চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান জানান, “আমি নিজে বস্তা খুলে দেখি চালগুলো কালচে হলুদ হয়ে গেছে এবং পোকার ভিড়ে ভরা। সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের জানাই।” ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা অভিযোগ করেন, খাদ্যগুদামে নষ্ট চাল থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অসাধু ব্যক্তিদের যোগসাজশে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাইমুল করিম টিটু দাবি করেন, “৭নং গুদামের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে কয়েকটি বস্তা নষ্ট হয়েছিল। শ্রমিকরা খেয়াল করেনি।” তবে সরেজমিনে দেখা যায়, সেই অংশে কোনো চালের বস্তা নেই এবং দীর্ঘ ছয় মাসে বৃষ্টি হয়নি। স্থানীয়রা এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।