1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
কুমিল্লা লাকসামে খালের বাঁধ অপসারণে আড়াইশো বিঘা জমি অবমুক্ত - কুমিল্লার খবর
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লার দেবিদ্বারে হঠাৎ রোগীসেবার মান যাচাইয়ে হাসপাতালে হাসনাত, শোকজ ৫ চিকিৎসক কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে র‍্যাব-১১ এর অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের মাঝে জার্সি বিতরণ কুমিল্লায় ক্যাবল ও ইন্টারনেট তারের জঞ্জাল নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের নোটিশ! বুড়িচংয়ে মাছ ও মুরগির খামারের খাদ্যগুদামে আগুন, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ টাকা সরকারের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেওয়া হবে: অ্যাডভোকেট তারিকুল *মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের পঠন* দক্ষতা* কুমিল্লায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে এমপির আকস্মিক পরিদর্শন, ছুটি ছাড়াই অনুপস্থিত কর্মকর্তারা কুমিল্লায় ছয় ঘণ্টায় তিন শিশুর প্রাণ কেড়ে নিল পানি! কুমিল্লায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে-বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

কুমিল্লা লাকসামে খালের বাঁধ অপসারণে আড়াইশো বিঘা জমি অবমুক্ত

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

কুমিল্লা লাকসামে খালের বাঁধ অপসারণে আড়াইশো বিঘা জমি অবমুক্ত

বাহার রায়ান,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার।।

কুমিল্লার লাকসামে খালের বাঁধ অপসারণ করে প্রায় আড়াইশো বিঘা কৃষিজমি পুনরায় চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। শনিবার উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নাড়িদিয়া এলাকার আঙ্গারিয়া-নাড়িয়া খাল থেকে এ বাঁধ অপসারণ করেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম।
এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকা বিস্তীর্ণ কৃষিজমি আবারও চাষের আওতায় আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।এদিকে একই দিনে বিকেলে মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানিকমূড়া এলাকা থেকে ভোগই, কাচি ও নদনা খাল পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য। একসময় প্রবাহমান এ খালগুলো শুকনো মৌসুমে সেচ এবং বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল। তবে দীর্ঘদিন পুনঃখনন না হওয়ায় দখল ও দূষণে খালগুলো প্রায় ভরাট হয়ে পড়ে।স্থানীয় কৃষকরা জানান, বিগত সময়ে প্রভাব খাটিয়ে একটি পক্ষ প্রায় আড়াইশো বিঘা জমির তিন পাশে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করে। এতে সহস্রাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তিন ফসলি জমি এক ফসলিতে নেমে আসে এবং ধান উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে অনেক কৃষক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।সংসদ সদস্য আবুল কালাম বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এক ফসলি জমি দুই ফসলি এবং দুই ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে কৃষকরা আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবেন। তিনি আরও জানান, খাল-নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর