1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. : lf_Wt8ucTCGB7Cm :
  3. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
‘ফ্যামিলি কার্ড’ যারা পাবেন, যারা পাবেন না! - কুমিল্লার খবর
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা শহরে সন্ধ্যায় সিএনজিতে ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক ১ সম্পত্তির জেরে মা-ভাইকে খুনের অভিযোগ, কে এই সরকারি কর্মকর্তা!!? সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অটোরিকশায় চার্জ দিলে জরিমানা, করতে হবে নিবন্ধন সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ‎-মিয়া গোলাম পরওয়ার সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির দাফন সম্পন্ন! নবীন সাংবাদিককে অপমান করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে?—সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু কঠিন প্রশ্ন। কুমিল্লায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: প্রধান আসামি গ্রেফতার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দল ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত Mostbet tr casino sitesine katilin Mobilde ya da bilgisayarda Sweet Bonanza keyfi 🎯 hep yanında

‘ফ্যামিলি কার্ড’ যারা পাবেন, যারা পাবেন না!

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

‘ফ্যামিলি কার্ড’ যারা পাবেন, যারা পাবেন না!

কুমিল্লার খবর অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
‘ফ্যামিলি কার্ড’ যারা পাবেন, যারা পাবেন না
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল এই‘ফ্যামিলি কার্ড’। দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি। এবার তাদের সামনে প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। সে মোতাবেক এগোচ্ছেও সরকার। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বেশকিছু অঞ্চলে প্রান্তিক মানুষের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দিতে জোরেসোরে কাজ চলছে। প্রাথমিক প্রস্তাব মোতাবেক, ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে সহায়তা দিলে এক অর্থবছরে প্রায় ১২ হাজার ৭২ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে (ক্যাশ-আউট চার্জসহ)। সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্ভাব্য বাস্তবায়ন কৌশল ঠিক করতে রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে এসব বিষয় আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকার ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থবছর হিসাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৭২ কোটি টাকা (ক্যাশ-আউট চার্জসহ)। তবে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় ও দ্বৈততা পরিহারের মাধ্যমে প্রায় ৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকা সাশ্রয়ের হিসাব দেখানো হয়েছে। এ হিসাবে অর্থের প্রয়োজন হবে প্রায় ৬ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা।
বর্তমানে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ডে প্রায় ৬৫ লাখ পরিবার ভর্তুকিমূল্যে পণ্য পাচ্ছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল ওম্যান ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচিসহ একাধিক প্রকল্পের তথ্য একীভূত করে নতুন কার্ডে অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। “যারা পাবেন ফ্যামিলি কার্ড”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড পেতে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকতে হবে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিল বা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সুপারিশ আসতে হবে। গ্রামীণ সবচেয়ে হতদরিদ্র পরিবার, নিম্ন আয়ের মানুষ, উপার্জনে অক্ষম সদস্যবিশিষ্ট পরিবার, নারীপ্রধান ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, স্বামী পরিত্যক্তা বা অসচ্ছল নারীপ্রধান পরিবার, ১৫–১৮ বছর বয়সি অবিবাহিত মেয়ের পরিবার, প্রত্যাগত অভিবাসী বিশেষত নারী অভিবাসীর পরিবার এবং শিশু, প্রতিবন্ধী বা অটিজম আক্রান্ত সদস্য থাকা পরিবার এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। বিদ্যমান কিছু কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা একযোগে সুবিধা পাবেন না—এমন বিধিনিষেধও থাকবে। পাশাপাশি যেসব পরিবারের ঘরের দেওয়াল মাটি, পাটকাঠি বা বাঁশ দিয়ে তৈরি এবং ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক ও দিনমজুর পরিবারগুলো এই ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। ভূমিহীন পরিবার বলতে বোঝাবে—যাদের বসতভিটা ও কৃষিজমি নেই, কিন্তু কৃষিনির্ভর। যাদের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বসতভিটা আছে, কিন্তু কৃষিযোগ্য জমি নেই—তারাও থাকবেন ভূমিহীন পরিবারের আওতায়। “যারা পাবেন না”
একই পরিবারের একাধিক সদস্য তালিকাভুক্ত হতে পারবেন না। যেসব পরিবার এরই মধ্যে নির্দিষ্ট সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সুবিধা পাচ্ছেন এবং সমন্বয়ের আওতায় আসবেন না, তারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না। এছাড়া সরকারি তালিকাভুক্ত এমন উপকারভোগী, যাদের তথ্য সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেমে যাচাই করে দ্বৈততা পাওয়া যাবে, তাদেরও ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে রাখা হতে পারে। “আবেদন করতে যা লাগবে”
অর্থবিভাগের সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) ব্যবহার করে পাইলটিং করার প্রস্তাব রয়েছে। এতে এনআইডি, জন্মতারিখ, মোবাইল ফোন নম্বর ও ইউনিয়নের নাম—এ চারটি তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্ভব। ‘সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেম’–এ এরই মধ্যে ৪ কোটির বেশি উপকারভোগীর তথ্য সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে এনআইডি, মোবাইল ফোন বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে দ্বৈততা যাচাই করা যাবে।
এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, টিআইএন, বিটিআরসির আইএমইআই ডাটাবেজ, জাতীয় সঞ্চয়পত্র, সরকারি কর্মচারী ও পেনশনার ডাটাবেজ এবং এমপিও শিক্ষক ডাটাবেজের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখা যাবে। বিকাশ, রকেট, নগদসহ পাঁচটি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশন থাকায় সরাসরি জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পাবলিক) পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানো ও রিয়েল-টাইম মনিটরিং সম্ভব হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর