
হালিম সৈকত কুমিল্লা।।
কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার দাসকান্দি গ্রামে
গোমতী নদীর অববাহিকায় দিগন্তজোড়া বিস্তৃত সূর্যমুখী ফুল বাগানটি এক নজর দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।সূর্যমুখী ফুলের বাগান দেখাকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের পাদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে এলাকা।নয়া উদ্যোক্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সরকার ১ একর জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন। বাগানটি দেখতে এবং সেলফি তুলতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন ফুলপ্রেমী দর্শনার্থীগণ। বাগানটিতে ফুটে আছে হাজার হাজার হলুদ বর্ণের সূর্যমুখী ফুল। যা প্রকৃতি প্রেমীদের মন মুহূর্তেই আন্দোলিত করে তুলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগানের সৌন্দর্যমন্ডিত দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে এর আকর্ষণ আরো বহুগুনে বেড়ে যায়। প্রতিদিন বাগানটি এক নজর দেখতে বহুসংখ্যক প্রকৃতি প্রেমী ছুটে আসছেন।ইতোমধ্যেই তিতাসের আশ-পাশের ভ্রমণ-পিপাসু মানুষের পছন্দের শীর্ষস্থানে পরিণত হয়েছে এই সূর্যমুখী ফুলের ক্ষেত। প্রতিদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের ঢল নামে সূর্যমুখীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে। তবে এখানে প্রবেশ করতে কোন ফি দিতে হয় না। মনোমুগ্ধকর এই পরিবেশে একটু সময় কাটানো ও সূর্যমুখী ফুলের হাসির ঝিলিক দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন। এ ব্যাপারে ফাতেমাতুজ জোহরা নামে এক তরুণী বলেন, আমরা সূর্যমুখী ফুলের ছবি ও ভিডিও ফেইসবুকে দেখে এখানে এসেছি। বাস্তবে আগে কখনো দেখি নাই। এখন এতবড় বাগানে সূর্যমুখী ফুল দেখে মনটা আনন্দে ভরে গেছে। খুব ভালো লাগছে। এতবড় বাগানতো জীবনেও দেখি নাই। মনটা ভরে গেছে। পরিবারের সবাই মিলে এসেছি। অনেক ছবি তুলেছি। টাইম লাইনে রেখে দিবো। এমন সুযোগ আর নাও আসতে পারে।
শিশু ইরহাম বলেন,আমার আম্মু আর আব্বুর সাথে এসেছি। ফুল দেখে অনেক ভালো লাগছে। আবার আসব। বাগানের কেয়ারটেকার রাজ মিয়া ও ফারুক মিয়া বলেন, এখানে অনেক ফুল ফুটেছে, প্রতিদিনই অনেক মানুষ আসছে। আমরা বাগান, ফুল আর গাছ রক্ষা করতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই আমরা কয়েকজন প্রতিদিন বাগান পাহারা দিচ্ছি। তিতাস উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সূর্যমুখী তেল খুবই উপকারী। দামও বেশি। তাই কৃষকরা লাভবান হবেন। কৃষি ফসল সূর্যমুখী দেখতে মানুষ ভীর করছে দেখে খুব ভালো লাগছে। সূর্যমুখীর সৌন্দর্য ও লাভ আকৃষ্ট করবে অন্য কৃষকদের। তাই আমরা কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছি।