1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. : lf_Wt8ucTCGB7Cm :
  3. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে প্রস্তাব জাতিসংঘে! - কুমিল্লার খবর
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে প্রস্তাব জাতিসংঘে!

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
Screenshot

রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে প্রস্তাব জাতিসংঘে!

নিজস্ব প্রতিবেদক।। 

রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিতে CAT এর অনুচ্ছেদ ১৪(১) এ বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত, নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশন (Convention against Torture and Other Cruel, Inhuman or Degrading Treatment or Punishment—CAT)–এর অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত হয়েছে।গত ২৯ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে CAT–এর অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর বিষয়ে বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্লেয়ারেশন প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।কনভেনশনটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত হয় এবং বর্তমানে ১৭৩টি রাষ্ট্র এটি অনুসমর্থন করে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালে CAT চুক্তিতে অনুসমর্থন প্রদান করে।কনভেনশনের অনুচ্ছেদ ১৪(১)-এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ মোট পাঁচটি রাষ্ট্র—বাহামা, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, সামোয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র—চুক্তিতে যোগদানের সময় রিজার্ভেশন প্রদান করেছিল। সেই রিজার্ভেশনের ফলে এতদিন যাবৎ রাষ্ট্র কর্তৃক নির্যাতন বা গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায্য ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না।এখন রিজার্ভেশন প্রত্যাহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পথ সুগম হলো। এর ফলে নির্যাতনে ভুক্তভোগীর মৃত্যু ঘটলে, তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিরাও ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই সিদ্ধান্ত একটি যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এতে করে মানবাধিকার সংরক্ষণে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। এটি বাংলাদেশের মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের দাবি ছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর