1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা! - কুমিল্লার খবর
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৬’ পালিত হবে…প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  শহীদ জিয়ার ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে ড. শাহ্ মোঃ সেলিম এর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও আহবান : কুমিল্লার তিতাসে যুবদল নেতা লতিফ হত্যা: আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও ঝাড়ু মিছিল! কুমিল্লায় ৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ কুমিল্লায় কৃষকদের ক্ষতিপূরণে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি পরিবেশ মন্ত্রীর মোস্তাক মিয়ার বক্তব্যের জবাবে হাসনাত আবদুল্লাহ – এটি তো রাজস্ব খাতের বরাদ্দ নয়, এডিপি প্রকল্পের বরাদ্দ চৌদ্দগ্রামের বিএনপির কিছু নেতার চাইতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার গুরুত্ব অনেক বেশি –ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জঙ্গল সলিমপুরে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের রক্তচক্ষু! বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস! কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যায় প্রধান আসামি আটক র‍্যাবের জালে! 

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

গ্রামের বাড়ি ফেরার আনন্দ নিয়েই শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের ওমর আলী (৮০) ও তাঁর স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫)। মাস দুয়েক আগে অসুস্থ হয়ে বড় ছেলের বাসায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে সেদিন দুই ছেলে আবুল হাসেম (৫০) ও আবুল কাশেম (৪৫)তাদের নিয়ে ফিরছিলেন প্রিয় গ্রামে।
কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার হোটেল নূরজাহান এলাকার ইউটার্নে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি কাভার্ডভ্যান প্রাইভেট কারের ওপর উল্টে পড়ে। মুহূর্তেই নিভে যায় চারজনের জীবন। নিহত বড় ছেলে আবুল হাসেম ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার মিরপুর রূপনগর ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপক। রাজধানীর কল্যাণপুরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন। বড় মেয়ে এবারের এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে, একমাত্র ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। ছোট ছেলে আবুল কাশেম মামুন রাজধানীর মানিকগর এলাকায় নিজ ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। এমএনজি নামক একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তাঁর দুই ছেলে—বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে, ছোট ছেলে প্রথম শ্রেণিতে।ওমর আলীর বড় মেয়ে হাসিনা আক্তার যমুনা ব্যাংকের দোলাইখাল শাখায় কর্মরত, ছোট মেয়ে রোকসানা আক্তার বিথি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শ্যামলী শাখায় চাকরি করেন। এক দিনে হারালেন বাবা-মা ও দুই ভাইকে।শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহত ওমর আলীর বড় মেয়ের স্বামী দেলোয়ার হোসেন ময়নামতি হাইওয়ে থানার সামনে সাংবাদিকদের বলেন,”চিকিৎসা শেষে সবাই আনন্দ নিয়েই গ্রামে ফিরছিলেন। কিন্তু পথে এসে সব শেষ হয়ে গেল। মরদেহগুলো তখন থানার ভেতরে রাখা। বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে স্বজনরা। বড় মেয়ে হাসিনা কেবল বলছিলেন আমরা ভেবেছিলাম আজ বাবা-মা বাড়ি ফিরবেন। অথচ তাঁরা ফিরলেন কফিনে শুয়”হোসেনপুর গ্রামে এখন শুধু শোকের ছায়া। উঠোনে আর হাসি নেই, নেই নাতি-নাতনিদের দৌড়ঝাঁপ। আছে শুধু চারটি কবরের মাটি, যা ঢেকে দিয়েছে এক পরিবারের পুরো সুখ-স্বপ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর