1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় অসহায় দুই শিশুর দায়িত্বে সহমর্মিতার হাত বাড়াল পুলিশ সুপার!!  কুমিল্লায় জামায়াতের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের মানসিক অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ—মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তাজমিন হত্যায়: রাজুকে নিতে গিয়েও কক্সবাজারে রেখে ফিরল কুমিল্লা ডিবি পুলিশ!!রেখে আসে কেন?  পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করালেন পুলিশ সুপার,কুমিল্লা  কুমিল্লা থেকে ৪ জন স্কুল ছাত্রী নিখোঁজের রহস্য উদঘাটন এবং তাদের মোবইলসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার সারা দেশে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা, প্রথম শ্রেণিতে লটারি কুমিল্লার দেবীদ্বারে দিনমজুর হত্যা মামলায় আরেক দিনমজুরের যাবজ্জীবন কুমিল্লার লালমাই ধানক্ষেতে ছাত্রীর বিবস্ত্র লা/শ,পাশে ছিলো সিএনজি ও তার ভ্যানেটি ব্যাগ!! কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানায় গাঁজা কান্ড, আস্থা হারাচ্ছে স্থানীয়রা!!

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক।। 
‎পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একে জাতীয় নিরাপত্তার দুর্বলতা বলেও মন্তব্য ীকরেন তিনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শহীদ সেনা অফিসারদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানের তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার এই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ এর একটি অপপ্রয়াস।’ পিলখানা ট্র্যাজেডির পরকালীন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে ওঠে। তাই বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে।’শহীদ সেনা পরিবারগুলোর দীর্ঘ ১৭ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।’তারেক রহমান তার বক্তব্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে সীমান্ত বাহিনীকে আধুনিক ও ব্যাটালিয়ন আকারে পুনর্গঠন করার যে দূরদর্শী কাজ শহীদ জিয়া শুরু করেছিলেন, সেই ধারাকে আরও বেগবান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।’ একই সঙ্গে তিনি পিলখানায় নিহত ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের পরিবারের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। ‎এসময় প্রধানমন্ত্রী সেদিন পিলখানায় থাকা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানান। পরে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর