1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে উদ্বেগ, নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি- ক্রসফায়ারের অনুমতি চাওয়ার দুঃসাহস কোথা থেকে আসে? জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও কি রাষ্ট্রীয় হত্যার সংস্কৃতি ফিরে আসছে? চার দিনের সরকারি সফর সম্পন্ন করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ সফরসঙ্গী  সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে তিনজন আটক প্রবাসী বাঙালি খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে বিকাশ পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয়; যুক্তরাষ্ট্রে অবসরভাতা: পূর্ণ অবসরের বয়সের আগে আবেদন করলে মাসিক সুবিধা কমতে পারে ৩০ শতাংশ! দাবি বাস্তবায়ন না হলে এক দফায় রূপ নিতে পারে-মোবারক হোসেন ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহু ও প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের ভিন্ন অবস্থান, ইসরায়েলের নির্বাচনে নিরাপত্তাই প্রধান ইস্যু! কুমিল্লা তিতাসে ৩ দিনব্যাপী তৃতীয় কাব ক্যাম্পুরীর শুভ উদ্বোধন বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় জামিন পেলেন অভিযুক্ত কিশোর!

ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহু ও প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের ভিন্ন অবস্থান, ইসরায়েলের নির্বাচনে নিরাপত্তাই প্রধান ইস্যু!

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

ইরান যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহু ও প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকটের ভিন্ন অবস্থান, ইসরায়েলের নির্বাচনে নিরাপত্তাই প্রধান ইস্যু!

হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির, বাপসনিউজ।।

আন্তর্জাতিক সংবাদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের মধ্যে ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে স্পষ্ট মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই নেতার এই ভিন্ন অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা, সামরিক নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ চান নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মতে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। তাঁর অবস্থান হলো, এই হুমকি স্থায়ীভাবে মোকাবিলা করতে হলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার পাশাপাশি দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেও পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনী প্রচারে নেতানিয়াহু নিজেকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষায় সবচেয়ে সক্ষম নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনও তাঁর প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। আইজেনকটের কৌশল: কূটনীতি ও অর্থনৈতিক চাপ নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার বিষয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। সাবেক এই সেনাপ্রধানের মতে, ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনকে সামরিক অভিযানের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তিনি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ, কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং প্রয়োজনে দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে সীমিত সামরিক পদক্ষেপের মতো বিকল্প কৌশলের পক্ষে। তাঁর দৃষ্টিতে, শুধু সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রয়োজন। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ইরান ইস্যুতে মতপার্থক্য এখন ইসরায়েলের নির্বাচনী রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনায় পরিণত হয়েছে। বিরোধী পক্ষের অভিযোগ, নেতানিয়াহু নির্বাচনী সুবিধা অর্জনের জন্য ইরানের হুমকিকে রাজনৈতিক প্রচারের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। আইজেনকটও সতর্ক করেছেন, কোনো নেতার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থ যেন দেশের নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে স্থান না পায়। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর শিবির দাবি করছে, ইরানের হুমকি মোকাবিলায় শক্তিশালী নেতৃত্ব অপরিহার্য। ইরানকে ঘিরে নতুন সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে—এমন আশঙ্কাও নির্বাচনী বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। তবে নির্বাচনের আগে ইসরায়েল নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে—এমন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন নেতানিয়াহুর কার্যালয় অস্বীকার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ ইরান নীতির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও দুই নেতার দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য রয়েছে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরছেন। অন্যদিকে আইজেনকট মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা বজায় রাখার পাশাপাশি ইসরায়েলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতাও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সামনে কী অপেক্ষা করছে? বিশ্লেষকদের কাছে ইসরায়েলের এই নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়; এটি দেশটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তানীতি, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের গতিপথ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তবে নির্বাচনের ফলাফল এবং পরবর্তী সরকার গঠনের পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, ইসরায়েল সামরিক সংঘাতের পথ আরও বিস্তৃত করবে, নাকি কূটনীতি ও অর্থনৈতিক চাপের ওপর বেশি গুরুত্ব দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর