
কুমিল্লা শহরের কোতোয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে বসছে মাদকের কাঁচাবাজার—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে। বিশেষ করে ধর্মপুর, ধনপুর এবং ৩ নং দক্ষিণ দুর্গাপুর ইউনিয়নের কিছু এলাকায় মাগরিবের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজগঞ্জ কাঁচা বাজারের মতো মাদকের বিশাল বাজার বসে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের পর থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত এসব এলাকায় প্রকাশ্যে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক বিক্রি হয়। অথচ দৃশ্যমান কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ফাঁড়ি পুলিশ, এমনকি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এসব স্পট সম্পর্কে অবগত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না—এমন অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ধনপুর এলাকায় কথিত মাদক ব্যবসায়ী সাথী ও কুদরত নামের দুই ব্যক্তির নেতৃত্বে এই মাদকের কাঁচাবাজার পরিচালিত হচ্ছে। কুদরত বিপুল পরিমাণ ইয়াবা এনে এলাকায় সরবরাহ করছে বলেও স্থানীয়দের দাবি। এসব বিষয় একাধিকবার পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং পুলিশকে সরেজমিনে মাদকের স্পট দেখানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—পুলিশ সুপারের নির্দেশনা থাকার পরও কেন মাঠ পর্যায়ে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে না? সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা এবং ধনপুরের মাদকের কাঁচাবাজার বন্ধে দৃশ্যমান অভিযান কবে শুরু হবে—এ প্রশ্ন এখন এলাকাবাসীর। কুমিল্লার পুলিশ সুপারের প্রতি এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়িত্ব পালন করে বদলি হয়ে চলে যাওয়া নয়, কুমিল্লায় এমন কিছু দৃশ্যমান অভিযান পরিচালনা করা হোক, যাতে মানুষ দীর্ঘদিন তাকে স্মরণ রাখে। ধনপুরসহ কোতোয়ালী এলাকার মাদকের কাঁচাবাজার বন্ধে জরুরি অভিযান এখন সময়ের দাবি।