
স্টাফ রিপোর্টার।।
আমার বাংলাদেশ পার্টি ( এবি পার্টি) কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক ও জেলা আহবায়ক মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক ও মহানগর আহবায়ক গোলাম মুহা. সামদানী সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুদ এর সভাপতিত্বে মহানগর সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম ভূইঁয়া মুকুল এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক ও জেলা আহবায়ক মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক।তিনি বলেন, বিএনপি পূর্বে ঘোষণা দিয়েছিল যে তারা ক্ষমতায় গেলে একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে এবং সকল রাজনৈতিক পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। জনআকাঙ্ক্ষা বুকে ধারণ করে তারা বলেছিল ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ হবে তাদের মূলনীতি। কিন্তু বাস্তবে ক্ষমতার রাজনীতিতে এসে তারা তাদের সেই রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে সরে যাচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির মহানগর আহবায়ক গোলাম মুহা. সামদানী বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি হলো জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি। তাই শুরু থেকেই সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ ইতিহাস বলে, ক্ষমতায় যাওয়ার পর অনেকেই তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেন না। এবি পার্টি সবসময় সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা করবে এবং জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত হলে তার যৌক্তিক সমালোচনা করবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র মেরামতের এই সময়ে যুব সমাজের কোনো বিকল্প নেই। দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে যুবকদেরকেই নিজ তাগিদে এগিয়ে আসতে হবে। এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে ইনসাফের পতাকার তলে হাতে হাত মিলে দেশ ও সমাজ বাস্তবায়নে যাতে ঐক্য ধরে রাখতে পারি সেজন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ।আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করে হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ এমরান হোসেন।সভা শেষে দেশ জাতীর জন্য দোয়া ও মুনাজাত শেষে সকলেই একসাথে ইফতারের মধ্যে দিয়ে সভা সমাপ্তি হয়।ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন সামাজিক ব্যক্তি, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, কবি-সাহিত্যিক, উলামা-মাশায়েখ, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।