
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
এইচএসসির ফলাফল বিপর্যয়ের কারণে ১৩টি কলেজের পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করেছে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি কলেজ, লক্ষীপুরের চারটি, চাঁদপুরের দুটি ও কুমিল্লার চারটি কলেজ রয়েছে। শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানানো হয়।শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রুনা নাছরিন কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত হওয়া কলেজগুলো হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চানপুর আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। লক্ষীপুরের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তোহা স্মৃতি গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামগতি উপজেলার সেবা গ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও লক্ষ্মীপুর সদরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ। চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও শরিফুল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ, লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ ও দাউদকান্দি উপজেলার অজরা এস ই এস ডিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রফেসর রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞতিতে উল্লেখ করা হয়, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানের পাশের হার শূন্য থেকে পাঁচ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে, তাদের ফলাফল সন্তোষজনক নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জানুয়ারি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা কমিটির সভায় ১৩টি প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সামছুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার শর্ত পূরণ করতে পারেননি এবং যাদের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তবে শর্ত পূরণ করলে তারা আবারও একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরতে পারবেন।