
বিশেষ প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার তরুণ, ছাত্র ও যুবজনতার রাজনীতিতে এক পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা আজ পরিণত হয়েছেন হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থার শিকড়ে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার, কর্মীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার গুণে তিনি জয় করে নিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়।রাজনীতির গোড়াপত্তন থেকেই তিনি ছিলেন আপসহীন ও ত্যাগী কর্মী। কুমিল্লা অজিত গুহ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি হিসেবে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের মধ্য দিয়েই রাজপথে এক শক্তিশালী ছাত্র সংগঠন গড়ে ওঠে। এর পরপরই তাঁর সাংগঠনিক প্রতিভার স্বীকৃতি মেলে জেলা পর্যায়ে। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সদস্য, সাবেক ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্ররাজনীতিতে থাকাকালীন সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায় ও অধিকার রক্ষায় তিনি ছিলেন সর্বদা সোচ্চার।ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল পর্ব শেষ করে স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজনীতির মাধ্যমে তিনি যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার কাজে হাত দেন। কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনের ভিত্তি মজবুত করতে তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তাঁর হাত ধরেই রাজপথে শক্তিশালী ভিত্তি পায় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সংগঠনের প্রতিটি স্তরে গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছেন।তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব শুধু একজন দক্ষ সংগঠকই নন, বরং এক স্বচ্ছ ও সত্যিকারের কর্মীবান্ধব নেতা। বিপদে-আপদে কর্মীদের পাশে থাকা, সুখে-দুঃখে সহযোদ্ধাদের আগলে রাখা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকাই তাঁকে সাধারণ ছাত্র-জনতার হৃদয়ের স্পন্দনে পরিণত করেছে।তরুণ, ছাত্র ও যুবসমাজের সর্বোচ্চ এক দক্ষ সংগঠক হিসেবে তিনি কুমিল্লার রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। আগামীর আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিকে গতিশীল করতে তিনি রাজপথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।