1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাধবপুর ড্রেজার ব্যবসার মূল নেপথ্যে ঘুসখোর তশিলদার কান্তি দেবনাত ‎জামায়াতে ইসলামী সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে……ড. মোবারক হোসাইন ‎ব্রাহ্মণপাড়ায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামী আমেনা বেগম গ্রেপ্তার কুমিল্লায় দুটি পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লায় সব হোটেলের বাস কাউন্টার অপসারণ; নতুন ইউটার্নের ঘোষণা সাংবাদিক তুহিনের পরিবারের পাশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, বিচার নিশ্চিতে আশ্বাস কুমিল্লায় চার ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্স স্থগিত, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, এক দালালকে কারাদণ্ড দেবিদ্বারে গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী বিএনপি নেতার ঘনিষ্ঠজন দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে -কুমিল্লায় বরকতউল্লাহ বুলু ‎ মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় আহত যুগান্তরের নারী সাংবাদিক

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

গ্রামের বাড়ি ফেরার আনন্দ নিয়েই শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের ওমর আলী (৮০) ও তাঁর স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫)। মাস দুয়েক আগে অসুস্থ হয়ে বড় ছেলের বাসায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে সেদিন দুই ছেলে আবুল হাসেম (৫০) ও আবুল কাশেম (৪৫)তাদের নিয়ে ফিরছিলেন প্রিয় গ্রামে।
কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার হোটেল নূরজাহান এলাকার ইউটার্নে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি কাভার্ডভ্যান প্রাইভেট কারের ওপর উল্টে পড়ে। মুহূর্তেই নিভে যায় চারজনের জীবন। নিহত বড় ছেলে আবুল হাসেম ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার মিরপুর রূপনগর ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপক। রাজধানীর কল্যাণপুরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন। বড় মেয়ে এবারের এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে, একমাত্র ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। ছোট ছেলে আবুল কাশেম মামুন রাজধানীর মানিকগর এলাকায় নিজ ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। এমএনজি নামক একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তাঁর দুই ছেলে—বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে, ছোট ছেলে প্রথম শ্রেণিতে।ওমর আলীর বড় মেয়ে হাসিনা আক্তার যমুনা ব্যাংকের দোলাইখাল শাখায় কর্মরত, ছোট মেয়ে রোকসানা আক্তার বিথি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শ্যামলী শাখায় চাকরি করেন। এক দিনে হারালেন বাবা-মা ও দুই ভাইকে।শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহত ওমর আলীর বড় মেয়ের স্বামী দেলোয়ার হোসেন ময়নামতি হাইওয়ে থানার সামনে সাংবাদিকদের বলেন,”চিকিৎসা শেষে সবাই আনন্দ নিয়েই গ্রামে ফিরছিলেন। কিন্তু পথে এসে সব শেষ হয়ে গেল। মরদেহগুলো তখন থানার ভেতরে রাখা। বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে স্বজনরা। বড় মেয়ে হাসিনা কেবল বলছিলেন আমরা ভেবেছিলাম আজ বাবা-মা বাড়ি ফিরবেন। অথচ তাঁরা ফিরলেন কফিনে শুয়”হোসেনপুর গ্রামে এখন শুধু শোকের ছায়া। উঠোনে আর হাসি নেই, নেই নাতি-নাতনিদের দৌড়ঝাঁপ। আছে শুধু চারটি কবরের মাটি, যা ঢেকে দিয়েছে এক পরিবারের পুরো সুখ-স্বপ্ন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট