1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা! - কুমিল্লার খবর
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে এমপি হাজী জসিম উদ্দিনের প্রথম মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ জন ডাকাত গ্রেফতারসহ লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার তিতাসে সদ্য প্রয়াত কবি আলী আশরাফ খানের স্মরণে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত তিন মাসেও সন্ধান মেলেনি লালমাইয়ের মাদ্রাসাছাত্রীর কুমিল্লা আদর্শ সদরের আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন প্রত্যাশী আক্তার হোসেন। ঝাউতলা ফ্ল্যাট ওনার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বরুড়ায় পল্লী বিদ্যুৎতের খুঁটি গিরে ঘর নির্মান ‎বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট  হয়ে এক নির্মান শ্রমিক মারাত্মক আহত ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে বহু বিবাহকারী প্রতারক তাসলিম হোসেন গ্রেফতার। কুমিল্লার চান্দিনায় ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫

ফেরার পথে চার কফিন” বাবা-মা ও দুই ছেলের একসাথে শেষ যাত্রা!

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

গ্রামের বাড়ি ফেরার আনন্দ নিয়েই শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের ওমর আলী (৮০) ও তাঁর স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫)। মাস দুয়েক আগে অসুস্থ হয়ে বড় ছেলের বাসায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে সেদিন দুই ছেলে আবুল হাসেম (৫০) ও আবুল কাশেম (৪৫)তাদের নিয়ে ফিরছিলেন প্রিয় গ্রামে।
কিন্তু দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার হোটেল নূরজাহান এলাকার ইউটার্নে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি কাভার্ডভ্যান প্রাইভেট কারের ওপর উল্টে পড়ে। মুহূর্তেই নিভে যায় চারজনের জীবন। নিহত বড় ছেলে আবুল হাসেম ছিলেন ব্যাংক এশিয়ার মিরপুর রূপনগর ব্রাঞ্চের ব্যবস্থাপক। রাজধানীর কল্যাণপুরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন। বড় মেয়ে এবারের এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে, একমাত্র ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। ছোট ছেলে আবুল কাশেম মামুন রাজধানীর মানিকগর এলাকায় নিজ ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। এমএনজি নামক একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তাঁর দুই ছেলে—বড় ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে, ছোট ছেলে প্রথম শ্রেণিতে।ওমর আলীর বড় মেয়ে হাসিনা আক্তার যমুনা ব্যাংকের দোলাইখাল শাখায় কর্মরত, ছোট মেয়ে রোকসানা আক্তার বিথি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শ্যামলী শাখায় চাকরি করেন। এক দিনে হারালেন বাবা-মা ও দুই ভাইকে।শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহত ওমর আলীর বড় মেয়ের স্বামী দেলোয়ার হোসেন ময়নামতি হাইওয়ে থানার সামনে সাংবাদিকদের বলেন,”চিকিৎসা শেষে সবাই আনন্দ নিয়েই গ্রামে ফিরছিলেন। কিন্তু পথে এসে সব শেষ হয়ে গেল। মরদেহগুলো তখন থানার ভেতরে রাখা। বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েছে স্বজনরা। বড় মেয়ে হাসিনা কেবল বলছিলেন আমরা ভেবেছিলাম আজ বাবা-মা বাড়ি ফিরবেন। অথচ তাঁরা ফিরলেন কফিনে শুয়”হোসেনপুর গ্রামে এখন শুধু শোকের ছায়া। উঠোনে আর হাসি নেই, নেই নাতি-নাতনিদের দৌড়ঝাঁপ। আছে শুধু চারটি কবরের মাটি, যা ঢেকে দিয়েছে এক পরিবারের পুরো সুখ-স্বপ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
  1. © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর