1. news@cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর : কুমিল্লার খবর cumillarkhobor
  2. info@www.cumillarkhobor.com : কুমিল্লার খবর :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মারধর, ভাঙচুর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তেলিয়াপাড়া: যে বাংলো থেকে মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণের ঐতিহাসিক যাত্রা ইতিহাস সংস্কৃতি নিয়ে…  শেখ হাসিনার জাতিসংঘে চিঠি : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি ​——– মানিক লাল ঘোষ —– শওকত আলী বকুল: কুমিল্লা মহানগর বিএনপির রাজনীতিতে পরিচিত এক সাংগঠনিক নেতৃত্ব কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে একযোগে আটক ২৯৯ জন জরাজীর্ণ অবকাঠামোতেও এইচএসসি ফলাফলে দেবীদ্বারে চমক দেখালো আদর্শ টেকনিক্যাল এন্ড বি.এম কলেজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া একটি পুলিশ ফাঁড়ি’র পুলিশ কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার! রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনা মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আহ্বান!! কুমিল্লা দেবীদ্বারে আরআরএমইপি প্রকল্পে লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নারী কর্মী নিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ‘ব্লু টাইড’; কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের হারিয়ে চমক

শেখ হাসিনার জাতিসংঘে চিঠি : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি ​——– মানিক লাল ঘোষ —–

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

শেখ হাসিনার জাতিসংঘে চিঠি : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি
​——– মানিক লাল ঘোষ —–

কুমিল্লার খবর আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক।। 
​বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও অর্জনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার নির্দেশে তাঁর পক্ষে আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিনিধি দল ‘ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্স’-এর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী স্টিভেন পাওয়েলস কেসি (Steven Powles KC)।
জাতিসংঘের বিশেষ বিশেষজ্ঞদের কাছে সরাসরি এই লিখিত আবেদন জমা দেন। চিঠিটি জমা নেওয়া জাতিসংঘের বিশিষ্ট মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের মধ্যে রয়েছেন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতার অধিকার সংক্রান্ত বিশেষ র‍্যাপোর্টার ,
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টার এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মানবাধিকার রক্ষা বিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টার। দেশি বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এই চিঠি পাঠানোর খবর ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের নিকটর্তী সময়ে এমন দূরদর্শী আইনি পদক্ষেপটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় এনে দিয়েছে। দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী গণমানুষের দলকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে এটি একটি অত্যন্ত জোরালো আন্তর্জাতিক আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ।
​চিঠিতে অত্যন্ত স্পষ্ট ও যুক্তিনির্ভরভাবে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে ক্ষমতার পালাবদলের পর আইন ও সংবিধানকে তোয়াক্কা না করে একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে উঠে এসেছে যে, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ স্থগিত ও কার্যক্রমের ওপর এই বিতর্কিত নিষেধাজ্ঞা জারি করে। শেখ হাসিনা অত্যন্ত যথাযথভাবেই মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন করার অধিকার এবং যেকোনো রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনাকরণ বাংলাদেশের সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। দেশের কোটি কোটি মানুষের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বকারী একটি বৃহত্তম দলকে কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক সুযোগ না দিয়ে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা কখনোই সর্বজনগ্রাহ্য বা অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে না। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কথা বলা বা সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি করা এক বড় ধরনের প্রহসন। ​শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেই ক্ষান্ত হওয়া হয়নি, চিঠিতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে কীভাবে দলটির লক্ষ লক্ষ নেতা-কর্মী ও সমর্থক আজ চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনি সহায়তার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরবর্তীতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর জোট এই নিষেধাজ্ঞাকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে বহাল রাখার পক্ষপাতিত্ব করেন এবং আওয়ামী লীগবিহীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি করেন। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক ভিন্নমতের ওপর এমন দমন-পীড়ন কোনোভাবেই কাম্য নয়। জাতিসংঘের বিশ্বমানের মানবাধিকার সংস্থাগুলো ও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর কাছে শেখ হাসিনার এই জরুরি বার্তা বিশ্ববাসীকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার সত্যতা অনুধাবনে বাধ্য করবে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ও নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ বাইরে রাখা হয়। ফলে একটি প্রতিনিধিত্বহীন এবং আওয়ামী লীগশূন্য পরিবেশের সুযোগ নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এই একপেশে নির্বাচন দেশটির গণতন্ত্রের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেবল একটি দল নয়, বরং এটি বাংলাদেশের উন্নয়ন, মুক্তি সংগ্রাম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। দেশের সার্বিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ শক্তিকে বাদ দিয়ে কোনো সমাধান সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে এই স্পষ্ট বার্তা পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন যে, দেশে যদি প্রকৃত অর্থে বাকস্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ফিরিয়ে আনতে হয়, তবে প্রথম পদক্ষেপই হতে হবে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে সব ধরনের অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।আন্তর্জাতিক চাপ ও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের হস্তক্ষেপে এই অন্যায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে দেশে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রকাশ্য বিবৃতি প্রদানের আহবান জানানো হয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যা এখন সাধারণ মানুষ ও গণতন্ত্রকামী প্রতিটি নাগরিকের প্রত্যাশা।

​( মানিক লাল ঘোষ :—সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : কুমিল্লার খবর