আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, সিজারিয়ান অপারেশনের পর মিতু নামের একজন সম্মানিত রোগী অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঘটেছে। সিজারিয়ান অপারেশনের দুদিন পর কুমিল্লা মুন হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে তার এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রোগীর এই অকাল প্রয়াণে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তাঁর শোকার্ত পরিবারের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।তবে, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও কোনো প্রকার নিরপেক্ষ চিকিৎসা তদন্ত ব্যতিরেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ কুলসুম আক্তার “প্রসূতী ও গাইনী বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন -কে সরাসরি দায়ী করা এবং সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ও হেনস্তা করার যে প্রক্রিয়া চলছে, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।একজন মা ও শিশুর জীবন রক্ষার্থে চিকিৎসকরা সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রতিটি জটিল অস্ত্রোপচারে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা ঝুঁকি (Medical Complications) থাকে, যা অনেক সময় চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। কিন্তু আমার জানি এই রোগীর বিষয়টি ছিলো অধিকতর ভালো। সিজার অপারেশনের পর রোগী চলাফেরা সহ সব কিছু স¦াবাবিক ছিলো।চিকিৎসা ত্রুটি (Medical Negligence) এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি বা দুর্ঘটনা (Medical Complication) এক বিষয় নয়। সঠিক ময়না তদন্ত ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ব্যতিরেকে কেবল ধারণার বশবর্তী হয়ে একজন চিকিৎসককে আসামী বা অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা বেআইনি এবং চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরোও বলেন, আমারজানি কিছু অসাধু ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকের মালিকরা এই ডাক্তারের বিরুদ্ধে উঠে পরে লেগেছে আমি এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
নিবেদক
মেহেদী হাসান মিরাজ
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত