কুমিল্লার খবর অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন ২০২৬’-এর খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে সর্বসাধারণের মতামত নেওয়া হবে। এতে বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে সুসংহতকরণ এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে সমুন্নত রাখতে দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর অধীন গঠিত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ও এর নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করা সমীচীন। এজন্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হলো।আরও বলা হয়, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন ইউনিটের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত একটি প্রতীক (লোগো), পতাকা ও সুনির্দিষ্ট পোশাক থাকবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এর নেতৃত্বে থাকবেন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে। বাহিনীর সদর দফতর থাকবে ঢাকায়, তবে দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ সম্পর্কিত আইনসাপেক্ষে কোনো সদস্যকে নির্ধারিত শর্তাধীনে এই ইউনিটের চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। প্রেষণে নিয়োগের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত, সবার মতামতের পর আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে। দ্রুতই মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত আইন তোলা হবে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংসদ অধিবেশনে এটি পাস হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) গড়ে তোলা হয়েছিল, শীর্ষ সন্ত্রাসী, দাগী ও দুর্ধর্ষ জঙ্গি দমনের উদ্দেশ্যে।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত