নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আলোচিত একটি ডাকাতি মামলায় একজনকে ৭ বছর এবং অপর চারজনকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ভূঁইয়া।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরুড়া উপজেলার মহিদপুর গ্রামের মো. বাবুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন ওরফে জনু, মিজান (পলাতক), ঝলম গ্রামের মো. আব্দুল মালেক ও ওয়াশকুরুনী (পলাতক)।রায়ে মো. বাবুল মিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর চার আসামিকে প্রত্যেককে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৬ মে বরুড়া উপজেলার ঝলম-আড্ডা সড়কে একটি কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ করে সশস্ত্র ডাকাতরা চালককে মারধর ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির সিগারেট বিক্রির ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৯ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন লুট করে নেয়।এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সেলস ম্যানেজার কবির হোসেন বাদী হয়ে বরুড়া থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৫, ৩৯৭ ও ৪১২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য, উপস্থাপিত প্রমাণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত