নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা পুলিশের পৃথক ও সফল অভিযানে জুয়াড়ি, হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানে নগদ টাকা ও জুয়ার সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে। ১০ মে দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩নং ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বাঁশঘাটা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই (নিরস্ত্র) সনক কান্তি দাশের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল স্থানীয় শাহ আলমের বসত ঘরে হানা দেয়। এসময় অবৈধভাবে জুয়া খেলারত অবস্থায় ৫ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। ১. আবুল কালাম (৪৬), ২. শাহ আলম (৬০), ৩. মোহাম্মদ সালাম (৫০), ৪. শমসুল আলম (৫৮) এবং ৫. কামাল হোসেন (৪৬)।
পুলিশ তাদের হেফাজত থেকে ২ বান্ডেল তাস, জুয়ার হিসাব সম্বলিত কাগজ এবং নগদ ২,১৩০ টাকা জব্দ করে। ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ঈদগাঁও থানায় মামলা (নং-০৯/৫৪) রুজু করা হয়েছে।
আম চুরি ঠেকাতে গিয়ে হামলার শিকার: সহযোগী গ্রেফতার গত ৭ মে আউলিয়াবাদ এলাকায় আম চুরির প্রতিবাদ করায় সামশুল আলম (৫১) নামের এক ব্যক্তির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে আজ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মামলার ৪নং আসামি মোঃ জাহেদ (২১)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ওই হামলায় ভুক্তভোগীকে ধারালো দা ও লোহার রড দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছিল। পরোয়ানাভুক্ত ৩ পলাতক আসামি গ্রেফতার একই দিনে থানা এলাকায় পরিচালিত অপর এক অভিযানে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ৩ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এর মধ্যে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি হলেন জসিম উদ্দিন (২৬) ও নুর আবছার (২০)। এছাড়া সিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি দিদার-কেও গ্রেফতার করা হয়।
ঈদগাঁও থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, অপরাধ দমনে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। বিশেষ করে জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় থাকবে। গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত