বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন,কুমিল্লা।।
কুমিল্লার রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় যাদের মৃত্যু ঘিরে উত্তাল হয়েছিল রাজপথ, সময়ের ব্যবধানে সেই শহীদ নেতারাই আজ বিস্মৃত। রাজনৈতিক ফায়দা লুটে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু দিবসে স্মরণ করতেও কার্পণ্য করছেন অনেকেই।আজ (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সাবেক ছাত্রনেতা জাহিদ বাবু’র ২৬তম শাহাদাত বার্ষিকী। অথচ এই দিনে কোনো বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি বা আনুষ্ঠানিক স্মরণ অনুষ্ঠান চোখে পড়েনি।
একই অবস্থা কুমিল্লার রাজনীতিতে একসময় আলোচিত আরও কয়েকজন শহীদ নেতার ক্ষেত্রেও। একসময় রাজনৈতিক মিছিলে, সভায়, ব্যানার-পোস্টারে যাদের নাম উচ্চারিত হতো বারবার—

জাহিদ বাবু (সাবেক সভাপতি, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, কুমিল্লা জেলা শাখা) ওবায়দুল হক দুলাল (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রলীগ)
এম. সাইফুল ইসলাম প্রধান (সাবেক সভাপতি, কুমিল্লা শহর ছাত্রলীগ) দেলোয়ার হোসেন (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগ) আজ তারা কেবল নামমাত্র ইতিহাস। রাজনৈতিক প্রয়োজনে যাদের ‘লাশের দাম’ ছিল অনেক, সময়ের প্রেক্ষাপটে সেই লাশগুলো শুধু ব্যবহার হয়েছে—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমিল্লায় এখনও ‘লাশের রাজনীতি’ চলমান। তবে সেই রাজনীতির ফায়দা ভোগ করেন কিছু সুবিধাবাদী গোষ্ঠী, আর দীর্ঘদিন ধরে আফসোস বয়ে বেড়ান শুধু শহীদদের পরিবার।
স্মরণে রাখে পরিবার, কাঁদে পরিবার—রাজনীতি এগিয়ে যায় নিজের গতিতে।
এ বিষয়ে নাগরিক সমাজের প্রশ্ন— কুমিল্লায় লাশের রাজনৈতিক ফায়দা লুটেরা আজ কেমন আছেন?
আর শহীদদের আত্মত্যাগ কি সত্যিই কেবল ব্যবহারযোগ্য একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে?
প্রকাশক ও সম্পাদক :
মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত